বুয়েট ভর্তি বিজ্ঞপ্তি ২০২৬: বাংলাদেশের বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থীদের লালিত স্বপ্নের নাম বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট)। মেধা, পরিশ্রম আর অধ্যবসায়ের চূড়ান্ত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েই পা রাখা যায় এই ক্যাম্পাসে। ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষে স্নাতক (সম্মান) শ্রেণিতে ভর্তির জন্য সেই কাঙ্ক্ষিত বুয়েট ভর্তি বিজ্ঞপ্তি ২০২৬ প্রকাশ করা হয়েছে। এবারের ভর্তি প্রক্রিয়ায় এসেছে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন, যা শিক্ষার্থীদের জন্য নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করেছে। বিশেষ করে প্রাথমিক বাছাই পরীক্ষা বা প্রিলিমিনারি পরীক্ষা বাতিলের সিদ্ধান্তটি এবারের ভর্তিযুদ্ধের মোড় ঘুরিয়ে দিতে পারে।
গত সোমবার বুয়েট কর্তৃপক্ষ আনুষ্ঠানিকভাবে এই বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে জানিয়েছে যে, আগামী ১৬ নভেম্বর থেকে অনলাইনে আবেদন প্রক্রিয়া শুরু হবে। ইঞ্জিনিয়ারিং পড়ার স্বপ্ন যাদের বুকে, তাদের জন্য এখনই সঠিক সময় নিজেদের প্রস্তুত করার। আলো ঘর-এর শিক্ষা ডেস্ক থেকে আজকের এই মেগা গাইডে আমরা বুয়েট ভর্তির খুঁটিনাটি, আবেদনের যোগ্যতা, নতুন নিয়মের প্রভাব এবং চান্স পাওয়ার কার্যকরী কৌশল নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করব।
বুয়েট ভর্তি বিজ্ঞপ্তি ২০২৬: গুরুত্বপূর্ণ তারিখ ও সময়সূচি
ভর্তি প্রক্রিয়ার প্রতিটি ধাপের জন্য নির্দিষ্ট সময়সীমা বেঁধে দেওয়া হয়েছে। শিক্ষার্থীদের অবশ্যই এই সময়সীমার মধ্যে তাদের কার্যক্রম সম্পন্ন করতে হবে, নতুবা আবেদন বাতিল হওয়ার ঝুঁকি থাকে। বিজ্ঞপিতে উল্লিখিত সময়সূচি অনুযায়ী, আবেদন প্রক্রিয়া শুরু হবে ১৬ নভেম্বর এবং চলবে ২ ডিসেম্বর পর্যন্ত। অর্থাৎ, শিক্ষার্থীরা আবেদন করার জন্য প্রায় দুই সপ্তাহের বেশি সময় পাচ্ছেন।
আবেদন ফি জমা দেওয়ার শেষ তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে ৪ ডিসেম্বর। যারা নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে আবেদন ফি জমা দিতে ব্যর্থ হবেন, তাদের আবেদন গ্রহণ করা হবে না। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ তারিখটি হলো ১০ জানুয়ারি ২০২৬, যেদিন কাঙ্ক্ষিত ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। পরীক্ষার ফলাফল বা মেধা তালিকা প্রকাশের সম্ভাব্য তারিখ ৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬। শিক্ষার্থীদের উচিত ক্যালেন্ডারে এই তারিখগুলো মার্ক করে রাখা এবং শেষ সময়ের জন্য অপেক্ষা না করে দ্রুত আবেদন সম্পন্ন করা।
ভর্তি পরীক্ষার নতুন নিয়ম: প্রিলিমিনারি পরীক্ষা বাতিল
এবারের বুয়েট ভর্তি বিজ্ঞপ্তি ২০২৬-এর সবচেয়ে আলোচিত বিষয় হলো ভর্তি পরীক্ষার কাঠামোগত পরিবর্তন। গত কয়েক বছর ধরে বুয়েটে দুই ধাপে পরীক্ষা হতো—প্রথমে প্রিলিমিনারি বা প্রাথমিক বাছাই পরীক্ষা এবং এরপর লিখিত পরীক্ষা। কিন্তু এবার কর্তৃপক্ষ প্রিলিমিনারি পরীক্ষা বাতিলের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এর মানে হলো, আবেদনকারী যোগ্য সকল শিক্ষার্থী সরাসরি মূল লিখিত পরীক্ষায় অংশগ্রহণের সুযোগ পাবেন না, বরং আবেদনের যোগ্যতার ভিত্তিতে সরাসরি লিখিত পরীক্ষার জন্য প্রার্থী বাছাই করা হবে।
এই সিদ্ধান্তের ফলে শিক্ষার্থীদের ওপর থেকে দুবার পরীক্ষা দেওয়ার মানসিক চাপ কমবে। তবে এর ফলে এইচএসসি পরীক্ষার ফলাফলের গুরুত্ব বহুগুণ বেড়ে যাবে। কারণ, প্রিলিমিনারি না থাকায় লিখিত পরীক্ষার জন্য প্রার্থী বাছাই করা হবে মূলত এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষার জিপিএ এবং বিজ্ঞান বিষয়গুলোর (পদার্থ, রসায়ন, গণিত) নম্বরের ওপর ভিত্তি করে। তাই যাদের জিপিএ এবং নম্বর বেশি, তাদের সরাসরি লিখিত পরীক্ষায় বসার সুযোগ পাওয়ার সম্ভাবনা বেশি থাকবে।
আবেদনের যোগ্যতা ও শর্তাবলি
বুয়েটে আবেদন করার জন্য শিক্ষার্থীদের শিক্ষাগত যোগ্যতার কিছু নির্দিষ্ট মানদণ্ড পূরণ করতে হয়। যদিও প্রতি বছর এটি সামান্য পরিবর্তন হতে পারে, তবে মৌলিক যোগ্যতাগুলো প্রায় একই থাকে। আবেদনকারীকে অবশ্যই বাংলাদেশের যেকোনো মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড থেকে বিজ্ঞান বিভাগে পাস করতে হবে। সাধারণত এসএসসি এবং এইচএসসি উভয় পরীক্ষায় জিপিএ ৫.০০ (চতুর্থ বিষয়সহ) থাকা আবশ্যক হয়ে পড়ে প্রতিযোগিতার কারণে।
সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো এইচএসসি পরীক্ষায় পদার্থবিজ্ঞান, রসায়ন এবং গণিত—এই তিনটি বিষয়ে খুব ভালো নম্বর থাকা। বিগত বছরগুলোর পরিসংখ্যান অনুযায়ী, এই তিন বিষয়ে মোট ৩০০ নম্বরের মধ্যে অন্তত ২৭০ থেকে ২৮০ বা তার বেশি নম্বরধারীরাই সাধারণত লিখিত পরীক্ষার জন্য নির্বাচিত হন। ইংরেজি বিষয়েও নির্দিষ্ট গ্রেড পয়েন্ট থাকার শর্ত থাকে। যারা ও-লেভেল এবং এ-লেভেল থেকে পাস করেছেন, তাদের জন্যও গ্রেড সংক্রান্ত নির্দিষ্ট নীতিমালা বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে। বিস্তারিত যোগ্যতা যাচাই করতে বুয়েটের অফিশিয়াল ওয়েবসাইট ভিজিট করা জরুরি।
আরও পড়ুন: ভর্তি পরীক্ষার শেষ ১০ দিনের প্রস্তুতি: চান্স পাওয়ার পূর্ণাঙ্গ গাইড ও রুটিন
ভর্তি পরীক্ষার পদ্ধতি ও সিলেবাস
বুয়েট ভর্তি পরীক্ষা সাধারণত লিখিত বা রিটেন ফরম্যাটে হয়ে থাকে। এবারও তার ব্যতিক্রম হবে না। পরীক্ষাটি দুটি মডিউলে বিভক্ত থাকবে—মডিউল ‘এ’ এবং মডিউল ‘বি’। মডিউল ‘এ’ মূলত ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগসমূহ এবং নগর ও অঞ্চল পরিকল্পনা বিভাগের জন্য। এখানে পদার্থবিজ্ঞান, রসায়ন এবং গণিত বিষয়ের ওপর লিখিত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। প্রশ্নের ধরন হবে গাণিতিক সমস্যা সমাধানভিত্তিক এবং তাত্ত্বিক।
অন্যদিকে, মডিউল ‘বি’ হলো স্থাপত্য বিভাগের জন্য। যারা স্থাপত্য বা আর্কিটেকচার নিয়ে পড়তে চান, তাদের মডিউল ‘এ’-এর লিখিত পরীক্ষার পাশাপাশি মুক্তহস্ত অঙ্কন বা ড্রয়িং পরীক্ষায় অংশ নিতে হবে। পরীক্ষার সিলেবাস সাধারণত উচ্চমাধ্যমিকের পাঠ্যসূচি অনুসারেই হয়ে থাকে। তবে প্রশ্নের মান এবং গভীরতা সাধারণ বোর্ড পরীক্ষার চেয়ে অনেক বেশি হয়। তাই পাঠ্যবইয়ের প্রতিটি কনসেপ্ট বা ধারণা সম্পর্কে স্বচ্ছ জ্ঞান থাকা অপরিহার্য।
আসন সংখ্যা ও বিভাগসমূহ
বুয়েটে ভর্তির জন্য শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র প্রতিযোগিতা হয় মূলত আসন সংখ্যা সীমিত হওয়ার কারণে। সব মিলিয়ে বুয়েটে মোট আসন সংখ্যা ১,৩০০-এর কাছাকাছি। এর মধ্যে কেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং, সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং, কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং (CSE), ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং (EEE) এবং মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগগুলো শিক্ষার্থীদের পছন্দের শীর্ষে থাকে।
এছাড়াও আর্কিটেকচার, বায়োমেডিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং, ওয়াটার রিসোর্সেস ইঞ্জিনিয়ারিং, নেভাল আর্কিটেকচার এবং মেটেরিয়ালস অ্যান্ড মেটালার্জিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের মতো বিভাগগুলোতেও পড়ার দারুণ সুযোগ রয়েছে। প্রতিটি বিভাগের জন্য আসন সংখ্যা নির্দিষ্ট করা থাকে। মেধা তালিকার ক্রম এবং শিক্ষার্থীর পছন্দক্রম অনুযায়ী বিভাগ বণ্টন করা হয়। সংরক্ষিত কোটা (যেমন: ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী, পার্বত্য চট্টগ্রাম) বাদে বাকি সব আসন মেধার ভিত্তিতে পূরণ করা হয়।
আবেদন ফি ও পেমেন্ট পদ্ধতি
ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণের জন্য মডিউল ভেদে আবেদন ফি ভিন্ন হয়। বুয়েট ভর্তি বিজ্ঞপ্তি ২০২৫-২৬ অনুযায়ী, ‘ক’ গ্রুপ বা মডিউল ‘এ’ (প্রকৌশল বিভাগসমূহ এবং নগর ও অঞ্চল পরিকল্পনা বিভাগ)-এর জন্য আবেদন ফি নির্ধারণ করা হয়েছে ১,৩০০ টাকা। অন্যদিকে, ‘খ’ গ্রুপ বা মডিউল ‘বি’ (স্থাপত্য বিভাগসহ সব বিভাগ)-এর জন্য আবেদন ফি ১,৫০০ টাকা।
আবেদন ফি জমা দেওয়ার প্রক্রিয়াটিও সম্পূর্ণ অনলাইন বা মোবাইল ব্যাংকিং নির্ভর। আবেদনকারীরা সোনালী ব্যাংকের সোনালী ই-সেবা, বিকাশ, রকেট বা নগদের মতো মোবাইল ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিসের মাধ্যমে ফি পরিশোধ করতে পারবেন। পেমেন্ট সম্পন্ন করার পর ট্রানজেকশন আইডি সংরক্ষণ করা এবং পেমেন্ট স্লিপ ডাউনলোড করে রাখা অত্যন্ত জরুরি, যা পরবর্তীতে প্রবেশপত্র সংগ্রহের সময় কাজে লাগবে। পেমেন্ট সংক্রান্ত যেকোনো জটিলতা এড়াতে শেষ দিনের জন্য অপেক্ষা না করাই ভালো।
বুয়েট ভর্তি প্রস্তুতির সেরা কৌশল
বুয়েট ভর্তি পরীক্ষা মানেই মেধা ও সময়ের সঠিক ব্যবস্থাপনার পরীক্ষা। এখানে হাজার হাজার মেধাবী শিক্ষার্থীর সাথে প্রতিযোগিতা করে নিজের আসনটি নিশ্চিত করতে হলে চাই সুপরিকল্পিত প্রস্তুতি।
১. কনসেপ্ট ক্লিয়ার করা
বুয়েটের প্রশ্নে সরাসরি মুখস্থ বিদ্যা প্রয়োগ করার সুযোগ কম। এখানে মূলত বেসিক কনসেপ্ট বা মূল ধারণা যাচাই করা হয়। তাই পদার্থবিজ্ঞান ও রসায়নের প্রতিটি সূত্র এবং থিওরি বুঝে পড়তে হবে। গণিতের ক্ষেত্রে ক্যালকুলাস, জ্যামিতি এবং বীজগণিতের জটিল সমস্যাগুলো সমাধানের দক্ষতা অর্জন করতে হবে।
২. প্রশ্ন ব্যাংক সমাধান
বিগত ২০-২৫ বছরের বুয়েট ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্ন সমাধান করা প্রস্তুতির একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ। এতে প্রশ্নের ধরন, মান এবং পুনরাবৃত্তির প্যাটার্ন সম্পর্কে ধারণা পাওয়া যায়। অনেক সময় পুরোনো বছরের প্রশ্নের কনসেপ্ট থেকে নতুন প্রশ্ন তৈরি করা হয়। তাই প্রশ্ন ব্যাংক বা Question Bank নখদর্পণে রাখা উচিত।
৩. সময় ব্যবস্থাপনা ও ক্যালকুলেটর হ্যাকস
লিখিত পরীক্ষায় প্রতিটি প্রশ্নের জন্য বরাদ্দ সময় খুবই কম থাকে। তাই দ্রুত ও নির্ভুলভাবে অঙ্ক করার অভ্যাস করতে হবে। বুয়েটে নির্দিষ্ট কিছু মডেলের ক্যালকুলেটর ব্যবহারের অনুমতি থাকে। ক্যালকুলেটরের বিভিন্ন শর্টকাট ও ফাংশন জানা থাকলে পরীক্ষার হলে অনেক সময় বাঁচানো সম্ভব।
৪. নিয়মিত মডেল টেস্ট
নিজের প্রস্তুতি যাচাই করার জন্য নিয়মিত মডেল টেস্ট বা মক এক্সাম দেওয়া জরুরি। এতে নিজের দুর্বলতাগুলো চিহ্নিত করা যায় এবং পরীক্ষার হলের ভীতি কমে। এ বিষয়ে আরও টিপস পেতে আমাদের Career Guide বিভাগটি দেখতে পারেন।
পরীক্ষার হলে করণীয় ও বর্জনীয়
পরীক্ষার দিনটিই হলো আসল চ্যালেঞ্জ। সারা বছরের পরিশ্রমের ফল নির্ভর করে ওই কয়েক ঘণ্টার ওপর। পরীক্ষার হলে মাথা ঠান্ডা রাখা সবচেয়ে জরুরি। প্রশ্নপত্র পাওয়ার পর প্রথমে সহজ এবং নিশ্চিত প্রশ্নগুলোর উত্তর করা উচিত। কোনো একটি কঠিন প্রশ্নে আটকে গিয়ে সময় নষ্ট করা যাবে না।
উত্তরপত্রে বা ওএমআর শিটে রোল নম্বর ও রেজিস্ট্রেশন নম্বর পূরণে সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে। নিষিদ্ধ কোনো ইলেকট্রনিক ডিভাইস বা স্মার্টওয়াচ নিয়ে কেন্দ্রে প্রবেশ করা যাবে না, যা বহিষ্কারের কারণ হতে পারে। পরীক্ষার আগের রাতে পর্যাপ্ত ঘুম এবং সুস্থ থাকাটাও প্রস্তুতির অংশ। মানসিক চাপ কমাতে মেডিটেশন বা রিলাক্সেশন টেকনিকগুলো কাজে লাগাতে পারেন।
আরও পড়ুন: মেডিকেল অফিসার ও নার্সিং ক্যারিয়ার গাইড: নিয়োগ প্রক্রিয়া ও সুযোগ
Buet Admission Circular 2026
বুয়েট ভর্তি বিজ্ঞপ্তি ২০২৫-২৬ প্রকৌশল শিক্ষায় আগ্রহী শিক্ষার্থীদের জন্য স্বপ্নের দরজা খুলে দিয়েছে। প্রাথমিক বাছাই বাতিল হওয়ায় এবার সরাসরি লিখিত পরীক্ষার চ্যালেঞ্জ বাড়ল ঠিকই, তবে এতে নিজের যোগ্যতা প্রমাণের সুযোগও তৈরি হলো। আগামী ১০ জানুয়ারির পরীক্ষার জন্য এখন থেকেই চূড়ান্ত প্রস্তুতি গ্রহণ এবং রিভিশন শুরু করা জরুরি।
আপনার মেধা, পরিশ্রম এবং সঠিক দিকনির্দেশনাই আপনাকে পৌঁছে দেবে বুয়েটের সবুজ চত্বরে। ভর্তি সংক্রান্ত যেকোনো ব্রেকিং নিউজ, সিট প্ল্যান এবং ফলাফলের আপডেট সবার আগে পেতে আলো ঘর-এর শিক্ষা সংবাদ বিভাগের সাথেই থাকুন।
আকাশ মাহমুদ, শিক্ষা বিভাগীয় প্রধান: [আলো ঘর]-এর শিক্ষা বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত। তিনি গত ৫ বছর ধরে শিক্ষা বোর্ড, ভর্তি পরীক্ষা এবং শিক্ষানীতি নিয়ে গভীর বিশ্লেষণধর্মী সংবাদ পরিবেশন করে আসছেন।
“বুয়েট ভর্তি পরীক্ষায় আপনার প্রস্তুতি কেমন? কোন বিভাগটি আপনার প্রথম পছন্দ? কমেন্টে আপনার মতামত জানাতে পারেন।”



5 thoughts on “বুয়েট ভর্তি বিজ্ঞপ্তি ২০২৫-২৬: আবেদন যোগ্যতা, পরীক্ষার প্রস্তুতি ও নতুন নিয়ম (A-Z গাইড)”