জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় অনার্স ভর্তি বিজ্ঞপ্তি ২০২৬: উচ্চশিক্ষার জন্য বাংলাদেশের বৃহত্তম বিদ্যাপীঠ জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়। দেশের আনাচে-কানাচে ছড়িয়ে থাকা সরকারি ও বেসরকারি কলেজগুলোতে লাখো শিক্ষার্থী তাদের স্নাতক বা অনার্স ডিগ্রি সম্পন্ন করে। ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষে প্রথম বর্ষ স্নাতক (সম্মান) শ্রেণিতে ভর্তির জন্য অপেক্ষমান শিক্ষার্থীদের অপেক্ষার প্রহর শেষ হলো। বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ আনুষ্ঠানিকভাবে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় অনার্স ভর্তি বিজ্ঞপ্তি ২০২৬ প্রকাশ করেছে।
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় অনার্স ভর্তি বিজ্ঞপ্তি ২০২৬
গতকাল রোববার (২৩ নভেম্বর ২০২৫) জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ দপ্তর থেকে পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, আজ রোববার বিকেল ৪টা থেকে অনলাইনে প্রাথমিক আবেদন কার্যক্রম শুরু হবে। তবে এবারের ভর্তি প্রক্রিয়ায় এসেছে যুগান্তকারী পরিবর্তন। দীর্ঘ কয়েক বছর ধরে জিপিএ-এর ভিত্তিতে শিক্ষার্থী ভর্তি করা হলেও, এবার শিক্ষার মানোন্নয়নে লিখিত ভর্তি পরীক্ষার ব্যবস্থা করা হয়েছে।
আলো ঘর-এর শিক্ষা ডেস্ক থেকে আজকের এই মেগা গাইডে আমরা এনইউ (NU) ভর্তির প্রতিটি ধাপ, নতুন পরীক্ষার পদ্ধতি, মেধাতালিকা তৈরির জটিল হিসাব এবং সফলভাবে আবেদন করার কৌশল নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করব।
একনজরে: NU Admission 2026 ও সময়সূচি
শিক্ষার্থীদের সুবিধার্থে ভর্তি কার্যক্রমের গুরুত্বপূর্ণ তারিখগুলো নিচে একটি টেবিলের মাধ্যমে তুলে ধরা হলো। ক্যালেন্ডারে এই তারিখগুলো মার্ক করে রাখা জরুরি, যাতে কোনোভাবেই ডেডলাইন মিস না হয়।
| কার্যক্রম | তারিখ ও সময় |
| অনলাইন আবেদন শুরু | ২৩ নভেম্বর ২০২৫ (বিকেল ৪টা) |
| আবেদন শেষ | ৩১ ডিসেম্বর ২০২৫ (রাত ১১:৫৯ মিনিট) |
| আবেদন ফি জমা দেওয়ার শেষ তারিখ | ৪ জানুয়ারি ২০২৬ |
| ভর্তি পরীক্ষা | তারিখ পরবর্তীতে জানানো হবে |
| ক্লাস শুরু (সম্ভাব্য) | ফেব্রুয়ারি ২০২৬ |
আবেদনের যোগ্যতা ও শর্তাবলি
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে অনার্স কোর্সে ভর্তির জন্য শিক্ষার্থীদের মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষায় নির্দিষ্ট জিপিএ অর্জন করতে হয়। NU admission circular 2026 অনুযায়ী যোগ্যতার মাপকাঠি নিচে দেওয়া হলো:
মানবিক শাখা
- এসএসসি/সমমান: ন্যূনতম জিপিএ ৩.৫০ (চতুর্থ বিষয়সহ)।
- এইচএসসি/সমমান: ন্যূনতম জিপিএ ৩.০০ (চতুর্থ বিষয়সহ)।
বিজ্ঞান ও ব্যবসায় শিক্ষা শাখা
- এসএসসি/সমমান: ন্যূনতম জিপিএ ৩.৫০ (চতুর্থ বিষয়সহ)।
- এইচএসসি/সমমান: ন্যূনতম জিপিএ ৩.৫০ (চতুর্থ বিষয়সহ)।
পাসের সাল: শুধুমাত্র ২০২৪ ও ২০২৫ সালে এইচএসসি বা সমমান পরীক্ষায় উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা আবেদন করতে পারবেন। অর্থাৎ, সেকেন্ড টাইমারদের জন্যও সুযোগ থাকছে। তবে এসএসসি পাসের সাল ২০২২ বা তার পরে হতে হবে।
অনলাইনে আবেদনের নিয়ম ও ধাপসমূহ
Step-by-Step NU Application Process: জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের আবেদন প্রক্রিয়াটি সম্পূর্ণ অনলাইনভিত্তিক। কোনো ম্যানুয়াল আবেদন গ্রহণ করা হবে না। আবেদন করার জন্য শিক্ষার্থীদের জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তিবিষয়ক ওয়েবসাইট ভিজিট করতে হবে। নিচে আবেদনের ধাপগুলো বিস্তারিত আলোচনা করা হলো:
ধাপ ১: লগইন ও তথ্য যাচাই
ওয়েবসাইটের ‘Honours Tab’-এ গিয়ে ‘Apply Now’ বাটনে ক্লিক করুন। এরপর আপনার এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষার রোল নম্বর, রেজিস্ট্রেশন নম্বর, বোর্ড এবং পাসের সাল সঠিকভাবে পূরণ করুন। তথ্য সঠিক থাকলে আপনার নাম এবং অন্যান্য ব্যক্তিগত তথ্য স্ক্রিনে ভেসে উঠবে।
ধাপ ২: কলেজ ও বিষয় নির্বাচন
College & Subject Choice: এটি আবেদনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ধাপ। আপনার জিপিএ এবং যোগ্যতা অনুযায়ী আবেদনযোগ্য বিষয়গুলোর তালিকা (Eligible Subject List) দেখতে পাবেন।
- প্রথমে আপনার পছন্দের বিভাগ ও জেলা সিলেক্ট করুন।
- এরপর সেই জেলার কাঙ্ক্ষিত কলেজটি সিলেক্ট করুন।
- কলেজ সিলেক্ট করলে ওই কলেজে আপনার জন্য বরাদ্দকৃত বিষয়গুলো এবং আসন সংখ্যা দেখাবে।
- নিজের পছন্দক্রম অনুযায়ী বিষয়গুলো সাজান (১ম পছন্দ, ২য় পছন্দ ইত্যাদি)। সাবধানে চয়েস দিন, কারণ মেধা তালিকায় এই ক্রমটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।
ধাপ ৩: কোটা (Quota) নির্বাচন
মুক্তিযোদ্ধা, ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী, প্রতিবন্ধী বা পোষ্য কোটা থাকলে নির্দিষ্ট অপশনে টিক চিহ্ন দিন। মনে রাখবেন, ভর্তির সময় কোটার স্বপক্ষে উপযুক্ত সনদপত্র দেখাতে হবে।
ধাপ ৩: ছবি ও মোবাইল নম্বর
সদ্য তোলা পাসপোর্ট সাইজের রঙিন ছবি আপলোড করতে হবে। ছবির মাপ হতে হবে ১২০x১৫০ পিক্সেল এবং ফাইল সাইজ ৫০ কেবি (KB)-এর বেশি হতে পারবে না। এরপর নিজের বা অভিভাবকের সচল মোবাইল নম্বরটি দিন। এই নম্বরেই ভর্তির সব আপডেট ও ওটিপি পাঠানো হবে।
ধাপ ৫: আবেদন ফর্ম ডাউনলোড
সব তথ্য ঠিক থাকলে ‘Submit Application’ বাটনে ক্লিক করুন। এরপর পিডিএফ আকারে আবেদন ফর্মটি ডাউনলোড করে রঙিন প্রিন্ট করে নিন। এই ফর্মে আপনার রোল নম্বর এবং পিন নম্বর দেওয়া থাকবে, যা পরবর্তীতে লগইন করার জন্য প্রয়োজন হবে।
আরও পড়ুন: বুয়েট ভর্তি বিজ্ঞপ্তি ২০২৫-২৬: আবেদন যোগ্যতা, পরীক্ষার প্রস্তুতি ও নতুন নিয়ম (A-Z গাইড)
প্রাথমিক আবেদন ফি প্রদান পদ্ধতি
অনলাইনে ফর্ম পূরণ করলেই আবেদন সম্পন্ন হবে না। আবেদন নিশ্চায়নের জন্য ফি জমা দিতে হবে।
- ফি এর পরিমাণ: ১,০০০ (এক হাজার) টাকা।
- সময়সীমা: ২০২৬ সালের ৪ জানুয়ারি তারিখের মধ্যে।
পদ্ধতি: আবেদনকৃত কলেজ কর্তৃক নির্ধারিত মোবাইল ব্যাংকিং (যেমন: বিকাশ, রকেট, নগদ) অথবা সরাসরি কলেজে গিয়ে ফি জমা দেওয়া যাবে।
ফি জমা দেওয়ার পর আপনার মোবাইলে একটি কনফার্মেশন এসএমএস আসবে। যদি এসএমএস না আসে, তবে দ্রুত কলেজের সাথে যোগাযোগ করুন। ফি জমা না দিলে আপনার আবেদন বাতিল বলে গণ্য হবে এবং আপনি ভর্তি পরীক্ষায় অংশ নিতে পারবেন না।
ভর্তি পরীক্ষার নতুন নিয়ম ও পদ্ধতি
New NU Exam System: এবারের জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় অনার্স ভর্তি বিজ্ঞপ্তি ২০২৬-এর সবচেয়ে বড় চমক হলো ভর্তি পরীক্ষার সংযোজন। শিক্ষার গুণগত মান নিশ্চিত করতে জিপিএ-নির্ভর ভর্তি ব্যবস্থা থেকে সরে এসেছে কর্তৃপক্ষ।
পরীক্ষার ধরণ:
- পদ্ধতি: এমসিকিউ (MCQ)।
- মোট নম্বর: ১০০।
- সময়: ১ ঘণ্টা।
- নেগেটিভ মার্কিং: নেই (অর্থাৎ ভুল উত্তরের জন্য কোনো নম্বর কাটা যাবে না)। এটি শিক্ষার্থীদের জন্য একটি বড় স্বস্তির বিষয়।
শাখাভিত্তিক প্রশ্নপত্র: উচ্চমাধ্যমিক পর্যায়ে মানবিক, বিজ্ঞান ও ব্যবসায় শিক্ষা শাখার শিক্ষার্থীদের জন্য আলাদা আলাদা প্রশ্নপত্রে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। অর্থাৎ বিজ্ঞানের ছাত্র বিজ্ঞানের বিষয়, এবং মানবিকের ছাত্র মানবিকের বিষয়ে পরীক্ষা দেবেন।
NU admission test mark distribution বা মানবণ্টন সম্পর্কে এখনো বিস্তারিত জানা না গেলেও ধারণা করা হচ্ছে, বাংলা, ইংরেজি, সাধারণ জ্ঞান এবং নিজ নিজ গ্রুপের প্রধান বিষয়গুলো (যেমন: পদার্থ, রসায়ন বা হিসাববিজ্ঞান) থেকে প্রশ্ন আসবে।
মেধাতালিকা প্রণয়ন পদ্ধতি: জিপিএ ও পরীক্ষার সমন্বয়
শুধুমাত্র ভর্তি পরীক্ষার নম্বরের ওপর ভিত্তি করে মেধাতালিকা তৈরি হবে না। এসএসসি ও এইচএসসির জিপিএ এবং ভর্তি পরীক্ষার নম্বরের সমন্বয়ে চূড়ান্ত ফলাফল বা মেধা তালিকা তৈরি করা হবে। এই জটিল প্রক্রিয়াটি সহজভাবে নিচে ব্যাখ্যা করা হলো:
মোট ২০০ নম্বরের ভিত্তিতে মেধা তালিকা প্রণয়ন করা হবে। এর বিভাজন নিম্নরূপ:
১. জিপিএ থেকে ১০০ নম্বর
- এসএসসি: প্রাপ্ত জিপিএ (চতুর্থ বিষয়সহ) × ৮ = ৪০ নম্বর (৪০%)।
- এইচএসসি: প্রাপ্ত জিপিএ (চতুর্থ বিষয়সহ) × ১২ = ৬০ নম্বর (৬০%)।
- মোট: ৪০ + ৬০ = ১০০ নম্বর।
২. ভর্তি পরীক্ষা থেকে ১০০ নম্বর
-
এমসিকিউ পরীক্ষায় প্রাপ্ত নম্বর = ১০০ নম্বর।
৩. চূড়ান্ত স্কোর (Total Score)
জিপিএ-এর ১০০ নম্বর + ভর্তি পরীক্ষার ১০০ নম্বর = মোট ২০০ নম্বর।
এই ২০০ নম্বরের ভিত্তিতে প্রতিটি কলেজের জন্য আলাদাভাবে বিষয় পছন্দক্রম অনুসারে বিষয়ভিত্তিক মেধাতালিকা প্রকাশ করা হবে। অর্থাৎ, একই নম্বর পেয়েও কলেজের চাহিদার ওপর ভিত্তি করে কেউ চান্স পাবে, কেউ পাবে না।
বিষয় পরিবর্তন বা মাইগ্রেশন
Subject Migration: মেধাতালিকায় স্থান পাওয়ার পর যদি আপনি আপনার প্রথম পছন্দের বিষয় না পান, তবে ভর্তি হয়ে মাইগ্রেশন অন রাখতে পারেন। পরবর্তীতে উপরের দিকের বিষয়গুলোতে আসন খালি হলে অটো-মাইগ্রেশনের মাধ্যমে আপনার বিষয় পরিবর্তন হতে পারে। তবে মাইগ্রেশন সর্বদা উপরের দিকের পছন্দে যায়, নিচের দিকে আসে না।
রিলিজ স্লিপ (Release Slip): দ্বিতীয় সুযোগ
যারা প্রথম মেধাতালিকায় চান্স পাবেন না বা ভর্তি বাতিল করবেন, তাদের জন্য রিলিজ স্লিপের ব্যবস্থা থাকবে। রিলিজ স্লিপে একজন শিক্ষার্থী ৫টি ভিন্ন কলেজে আলাদা আলাদা বিষয় পছন্দ করে আবেদন করতে পারবেন। এটি মূলত শেষ সুযোগ, তাই এখানে কলেজ নির্বাচনে কৌশলী হতে হবে। যেসব কলেজে আসন খালি বেশি, সেখানে আবেদন করলে চান্স পাওয়ার সম্ভাবনা বাড়ে।
আরও পড়ুন: জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষা ২০২৫-২৬: আবেদন শুরু ২৩ নভেম্বর
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সুবিধা ও অসুবিধা
ভর্তির সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে এর ভালো-মন্দ দিকগুলো বিবেচনা করা উচিত।
সুবিধা:
- খরচ কম: পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের মতোই এখানে পড়ার খরচ অত্যন্ত কম।
- লোকেশন: নিজ জেলার বা বাড়ির কাছের কলেজে পড়ার সুযোগ থাকে।
- ডিগ্রির মান: জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের সার্টিফিকেটের মান সরকারি চাকরির ক্ষেত্রে অন্য পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের সমান।
- সেশন জট হ্রাস: বর্তমান প্রশাসন ক্রাশ প্রোগ্রামের মাধ্যমে সেশন জট কমিয়ে এনেছে।
অসুবিধা:
- গবেষণার সুযোগ কম: অধিকাংশ কলেজে ল্যাব বা গবেষণার পর্যাপ্ত সুযোগ নেই।
- শিক্ষক সংকট: মফস্বলের কলেজগুলোতে দক্ষ শিক্ষকের অভাব রয়েছে।
- আবাসন সমস্যা: হাতেগোনা কিছু সরকারি কলেজ ছাড়া অধিকাংশ কলেজে হলের সুবিধা নেই।
ভর্তি পরীক্ষার প্রস্তুতি ও টিপস
যেহেতু এবার ভর্তি পরীক্ষা হচ্ছে, তাই শিক্ষার্থীদের প্রস্তুতিতে কোনো ছাড় দেওয়া যাবে না। best colleges under National University-তে (যেমন: ঢাকা কলেজ, ইডেন কলেজ, ব্রজলাল কলেজ) চান্স পেতে হলে তীব্র প্রতিযোগিতার মুখোমুখি হতে হবে।
১. পাঠ্যবই রিভিশন: এইচএসসির মূল বইগুলো (বিশেষ করে বাংলা, ইংরেজি ও গ্রুপের বিষয়) ভালো করে রিভিশন দিন।
২. প্রশ্ন ব্যাংক: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় বা অন্যান্য পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের বিগত বছরের প্রশ্নগুলো সমাধান করুন। প্রশ্নের ধরণ অনেকটা একই রকম হতে পারে।
৩. সাধারণ জ্ঞান: সাম্প্রতিক বিষয়াবলি এবং বাংলাদেশ ও আন্তর্জাতিক বিষয় সম্পর্কে ধারণা রাখুন। আমাদের Latest News বিভাগটি নিয়মিত পড়লে সাধারণ জ্ঞানে এগিয়ে থাকবেন।
৪. মক টেস্ট: সময় ধরে বাসায় বসে মডেল টেস্ট দিন। যেহেতু ১ ঘণ্টায় ১০০টি প্রশ্নের উত্তর দিতে হবে, তাই সময়ের সঠিক ব্যবহার শেখা জরুরি।
NU admission circular 2026
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় অনার্স ভর্তি বিজ্ঞপ্তি ২০২৬ উচ্চশিক্ষার দুয়ারে কড়া নাড়া লাখো শিক্ষার্থীর জন্য নতুন সম্ভাবনার বার্তা নিয়ে এসেছে। জিপিএ-এর পাশাপাশি ভর্তি পরীক্ষার প্রবর্তন মেধাবী শিক্ষার্থীদের সঠিক মূল্যায়নের সুযোগ করে দেবে। ২৩ নভেম্বর থেকে শুরু হওয়া এই আবেদন প্রক্রিয়া ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত চলবে। শেষ সময়ের সার্ভার জটিলতা এড়াতে দ্রুত আবেদন সম্পন্ন করার পরামর্শ রইল।
আপনার শিক্ষাজীবন আনন্দদায়ক ও সফল হোক। ভর্তি সংক্রান্ত যেকোনো আপডেট, সিট প্ল্যান এবং ফলাফলের খবর সবার আগে পেতে আলো ঘর-এর শিক্ষা সংবাদ বিভাগের সাথেই থাকুন।
আকাশ মাহমুদ, শিক্ষা বিভাগীয় প্রধান: [আলো ঘর]-এর শিক্ষা বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত। তিনি গত ৫ বছর ধরে শিক্ষা বোর্ড, ভর্তি পরীক্ষা এবং শিক্ষানীতি নিয়ে গভীর বিশ্লেষণধর্মী সংবাদ পরিবেশন করে আসছেন।
“ভর্তি পরীক্ষা পদ্ধতি চালু হওয়াকে আপনি কীভাবে দেখছেন? এটি কি মেধার সঠিক মূল্যায়ন করবে? আপনার মতামত নিচে কমেন্ট করে জানান।”
আরও পড়ুন: কৃষি গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষা ২০২৫-২৬: আবেদন শুরু ২৫ নভেম্বর, জানুন পরীক্ষার তারিখ ও বিস্তারিত



1 thought on “NU Admission 2026: অনার্স প্রথম বর্ষে আবেদন, পরীক্ষা ও মেধাতালিকার পূর্ণাঙ্গ গাইড”