এস এ দিপু, ক্যারিয়ার মেন্টর: বর্তমান প্রতিযোগিতামূলক বিশ্বে একটি ভালো চাকরি পাওয়া অনেকটা যুদ্ধের মতো। আর এই যুদ্ধে আপনার সবচেয়ে বড় হাতিয়ার হলো আপনার সিভি (CV) বা জীবনবৃত্তান্ত। আপনি হয়তো অত্যন্ত মেধাবী, আপনার রেজাল্ট দুর্দান্ত এবং আপনার অনেক দক্ষতা আছে; কিন্তু আপনি যদি সঠিক CV তৈরি করার নিয়ম না জানেন, তবে সেই মেধা নিয়োগকর্তার কাছে পৌঁছাবেই না।
CV তৈরি করার নিয়ম ও চাকরি পাওয়ার সেরা ১০টি টিপস
পরিসংখ্যান বলছে, একজন রিক্রুটার বা নিয়োগকারী কর্মকর্তা একটি সিভির দিকে গড়ে মাত্র ৬ থেকে ৭ সেকেন্ড তাকান। এই নগণ্য সময়ের মধ্যেই আপনাকে প্রমাণ করতে হবে যে আপনিই সেই পদের জন্য যোগ্য। ২০২৬ সালে দাঁড়িয়ে গতানুগতিক ‘বায়োডাটা’ দিয়ে আর কাজ হবে না। এখন প্রয়োজন স্মার্ট, এটিএস (ATS) ফ্রেন্ডলি এবং স্কিল-বেসড সিভি।
আলো ঘর-এর দক্ষতা উন্নয়ন বিভাগ থেকে আজ আমরা নিয়ে এসেছি একটি পূর্ণাঙ্গ মেগা গাইড। এখানে আমরা শুধু CV তৈরি করার নিয়ম শিখব না, বরং সিভি জমা দেওয়া থেকে শুরু করে ইন্টারভিউ বোর্ড পর্যন্ত পৌঁছানোর এবং চাকরি নিশ্চিত করার সেরা ১০টি গোপন কৌশল নিয়েও বিস্তারিত আলোচনা করব।
পর্ব ১: সিভি (CV) নাকি রিজিউম (Resume)? বিভ্রান্তি দূরীকরণ
বাংলাদেশে আমরা সাধারণত চাকরির আবেদনের কাগজকে ‘সিভি’ বা ‘বায়োডাটা’ বলি। কিন্তু আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুযায়ী এর মধ্যে সূক্ষ্ম পার্থক্য রয়েছে। সঠিক CV তৈরি করার নিয়ম জানার আগে এই পার্থক্য বোঝা জরুরি।
১. রিজিউম (Resume)
- দৈর্ঘ্য: ১ থেকে সর্বোচ্চ ২ পৃষ্ঠা।
- বিষয়বস্তু: শুধুমাত্র প্রাসঙ্গিক দক্ষতা, কাজের অভিজ্ঞতা এবং শিক্ষার সারসংক্ষেপ।
- ব্যবহার: কর্পোরেট চাকরি, বেসরকারি প্রতিষ্ঠান এবং আইটি সেক্টরের জন্য।
২. সিভি (Curriculum Vitae)
- দৈর্ঘ্য: ২ পৃষ্ঠার বেশি (যত প্রয়োজন)।
- বিষয়বস্তু: জীবনের সব অর্জন, সব ডিগ্রি, গবেষণাপত্র, পাবলিকেশন, অ্যাওয়ার্ড এবং বিস্তারিত অভিজ্ঞতা।
- ব্যবহার: একাডেমিক পজিশন, ফেলোশিপ, পিএইচডি আবেদন বা সরকারি উচ্চপদস্থ চাকরির জন্য।
পরামর্শ: বাংলাদেশের বেসরকারি চাকরির বাজারে সাধারণত ‘রিজিউম’-কেই ‘সিভি’ বলা হয়। তাই নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিতে ‘CV’ চাওয়া হলেও মূলত তারা ১-২ পৃষ্ঠার একটি স্মার্ট রিজিউম আশা করেন।
পর্ব ২: আধুনিক ও ATS ফ্রেন্ডলি CV তৈরি করার নিয়ম
বর্তমান সময়ে বড় কোম্পানিগুলো সিভি বাছাইয়ের জন্য মানুষের বদলে সফটওয়্যার ব্যবহার করে, যাকে বলা হয় ATS (Applicant Tracking System)। আপনার সিভি যদি এই সফটওয়্যার পড়তে না পারে, তবে তা সরাসরি রিজেক্ট হয়ে যাবে। তাই আধুনিক CV তৈরি করার নিয়ম মানেই হলো ATS ফ্রেন্ডলি হওয়া।
১. হেডার বা পরিচিতি পর্ব (Contact Information)
সিভির একদম ওপরে আপনার নাম এবং যোগাযোগের তথ্য থাকবে।
- নাম: বড় এবং স্পষ্ট ফন্টে।
- মোবাইল নম্বর: সচল নম্বর, কান্ট্রি কোডসহ (+880)।
- ইমেইল: অবশ্যই প্রফেশনাল ইমেইল ব্যবহার করবেন (যেমন:
name.lastname@gmail.com)।kingkhan786টাইপ ইমেইল ব্যবহার করলে সিভি বাতিল হওয়ার ঝুঁকি থাকে। - লিঙ্কডইন ও পোর্টফোলিও: আপনার লিঙ্কডইন প্রোফাইল এবং কাজের নমুনার (গিটহব, বিহান্স বা ব্যক্তিগত ওয়েবসাইট) লিংক যুক্ত করুন।
-
ছবি: বাংলাদেশে ছবি দেওয়াটা প্রথাগত, তবে আন্তর্জাতিক মানের সিভিতে ছবি দেওয়া হয় না। দিলে অবশ্যই ফরমাল ছবি দিন।
২. প্রফেশনাল সামারি (Professional Summary)
আগে আমরা ‘Objective’ লিখতাম, এখন লিখতে হয় ‘Summary’।
- অবজেক্টিভ (বাদ দিন): “আমি এমন একটি চাকরি চাই যেখানে আমি শিখতে পারব…” (এটি আপনার স্বার্থ)।
- সামারি (ব্যবহার করুন): “৩ বছরের অভিজ্ঞতাসম্পন্ন ডিজিটাল মার্কেটার, যিনি এসইও এবং কন্টেন্ট স্ট্র্যাটেজিতে দক্ষ। পূর্ববর্তী কোম্পানিতে অর্গানিক ট্রাফিক ৪০% বৃদ্ধি করেছি।” (এটি কোম্পানির স্বার্থ)।
৩. কাজের অভিজ্ঞতা (Work Experience): রিভার্স ক্রোনোলজিক্যাল
অভিজ্ঞতা লেখার সময় সবসময় বর্তমান বা সর্বশেষ চাকরিটি সবার আগে লিখবেন। এরপর পেছনের দিকে যাবেন।
-
পদের নাম (Job Title)
-
কোম্পানির নাম ও লোকেশন
-
সময়কাল (মাস ও বছর)
-
STAR মেথড ব্যবহার: অভিজ্ঞতার বর্ণনায় শুধু দায়িত্ব না লিখে অর্জন লিখুন।
-
S (Situation): পরিস্থিতি কী ছিল?
-
T (Task): আপনার কাজ কী ছিল?
-
A (Action): আপনি কী পদক্ষেপ নিলেন?
-
R (Result): ফলাফল কী হলো? (সংখ্যা ব্যবহার করুন, যেমন: ২০% সেলস বৃদ্ধি)।
-
৪. শিক্ষাগত যোগ্যতা (Education)
সদ্য গ্র্যাজুয়েট হলে শিক্ষাকে অভিজ্ঞতার আগে রাখতে পারেন। অভিজ্ঞ হলে পরে দিন।
- ডিগ্রির নাম
- প্রতিষ্ঠানের নাম
- পাসের বছর
- সিজিপিএ (CGPA): যদি ৩.০০-এর নিচে হয়, তবে উল্লেখ না করাই ভালো।
৫. দক্ষতা বা স্কিলস (Skills)
দক্ষতাকে দুটি ভাগে ভাগ করে লিখুন।
- Hard Skills: আপনার কাজের সাথে সরাসরি যুক্ত। যেমন: Python, Graphic Design, Accounting, SEO, Data Analysis.
- Soft Skills: আপনার আচরণের সাথে যুক্ত। যেমন: Leadership, Communication, Time Management.
আরও পড়ুন: কর্পোরেট কমিউনিকেশন: অফিসে বস হওয়ার ১০টি প্রফেশনাল কৌশল (A-Z গাইড)
৬. অতিরিক্ত সেকশন (Optional)
- ভাষা: বাংলা, ইংরেজি বা অন্য কোনো ভাষায় দক্ষতা।
- সার্টিফিকেশন: কোনো প্রফেশনাল কোর্স করা থাকলে।
- প্রজেক্ট: ফ্রেশারদের জন্য এটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ। আপনি পড়াশোনার পাশাপাশি কী কী প্রজেক্ট করেছেন তা বিস্তারিত লিখুন।
পর্ব ৩: চাকরি পাওয়ার সেরা ১০টি টিপস (এক্সপার্ট স্ট্র্যাটেজি)
শুধু ভালো সিভি থাকলেই চাকরি হবে না। আপনাকে সঠিক কৌশল অবলম্বন করতে হবে। একজন ক্যারিয়ার মেন্টর হিসেবে আমার ৯ বছরের অভিজ্ঞতার আলোকে সেরা ১০টি টিপস নিচে দেওয়া হলো:
১. সিভি কাস্টমাইজেশন (Tailoring Your CV)
সব চাকরির জন্য একই সিভি পাঠাবেন না। প্রতিটি জব ডেসক্রিপশন (Job Description) ভালো করে পড়ুন। সেখানে যেসব কিওয়ার্ড (Keywords) আছে, সেগুলো আপনার সিভিতে যুক্ত করুন। এটি CV তৈরি করার নিয়ম-এর অন্যতম প্রধান শর্ত।
২. লিঙ্কডইন প্রোফাইল অপ্টিমাইজেশন
রিক্রুটাররা এখন সিভির চেয়ে লিঙ্কডইনে বেশি ভরসা করেন। আপনার প্রোফাইলটি সম্পূর্ণ করুন।
- একটি প্রফেশনাল হেডশট দিন।
- হেডলাইনে শুধু পদের নাম না লিখে আপনার ভ্যালু প্রপোজিশন লিখুন।
- ‘Open to Work’ ফ্রেম ব্যবহার করতে পারেন। লিঙ্কডইন সম্পর্কে আরও জানতে আমাদের Tech News বিভাগটি দেখতে পারেন।
৩. নেটওয়ার্কিং (The Hidden Job Market)
অধিকাংশ চাকরি বিজ্ঞপ্তির আগেই পূরণ হয়ে যায় রেফারেন্সের মাধ্যমে।
-
প্রাক্তন সহকর্মী, বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনিয়র এবং লিঙ্কডইন কানেকশনদের সাথে যোগাযোগ বাড়ান।
-
সরাসরি চাকরি না চেয়ে বলুন, “আমি আপনার কোম্পানিতে কাজ করতে আগ্রহী, কোনো সুযোগ থাকলে জানাবেন।”
৪. কভার লেটার (Cover Letter) এর শক্তি
অনেকে সিভি মেইল করার সময় বডিতে কিছু লেখেন না বা আলাদা কভার লেটার দেন না। এটি ভুল। একটি কভার লেটার আপনাকে নিয়োগকর্তার সাথে ব্যক্তিগতভাবে কানেক্ট করতে সাহায্য করে। লিখুন কেন আপনিই এই পদের জন্য সেরা।
৫. নতুন দক্ষতা অর্জন (Upskilling)
প্রযুক্তি দ্রুত পাল্টাচ্ছে। আজ যা শিখছেন, ২ বছর পর তা পুরনো হতে পারে। নিয়মিত নতুন স্কিল শিখুন। আমাদের Skill Development বিভাগে বিভিন্ন ফ্রি এবং পেইড কোর্সের খোঁজ পাবেন।
৬. অনলাইন পোর্টফোলিও বা পার্সোনাল ব্র্যান্ডিং
আপনার কাজের প্রমাণ রাখুন।
- ডিজাইনার হলে Behance বা Dribbble লিংক দিন।
- ডেভেলপার হলে GitHub লিংক দিন।
- রাইটার হলে ব্লগ বা প্রকাশিত আর্টিকেলের লিংক দিন। এটি আপনার বিশ্বাসযোগ্যতা ১০০% বাড়িয়ে দেয়।
৭. ফলো-আপ ইমেইল (Follow-up)
আবেদন করার ১ সপ্তাহ পর যদি কোনো উত্তর না পান, তবে একটি ভদ্রোচিত ফলো-আপ ইমেইল দিন। এটি আপনার আগ্রহ ও পেশাদারিত্ব প্রকাশ করে।
-
সাবজেক্ট: Following up on [Position Name] application – [Your Name]
৮. মক ইন্টারভিউ (Mock Interview)
আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে বা বন্ধুদের সাথে ইন্টারভিউ প্র্যাকটিস করুন। কমন প্রশ্নগুলোর (যেমন: Tell me about yourself) উত্তর আগে থেকেই গুছিয়ে রাখুন। এটি ইন্টারভিউয়ের দিনের জড়তা কমাবে।
আরও পড়ুন: এআই টুলস এবং Gemini: অফিসের কাজ ১০ গুণ দ্রুত করার সেরা ৫টি কৌশল
৯. ভলান্টিয়ারিং বা ইন্টার্নশিপ
অভিজ্ঞতা নেই বলে চাকরি পাচ্ছেন না? আবার চাকরি না করলে অভিজ্ঞতা হবে না—এই চক্র ভাঙতে ভলান্টিয়ারিং বা আনপেইড ইন্টার্নশিপ করুন। এটি সিভিতে গ্যাপ পূরণ করে এবং নেটওয়ার্ক বাড়ায়।
১০. সফট স্কিলের ওপর জোর দিন
ইন্টারভিউ বোর্ডে আপনার টেকনিক্যাল জ্ঞানের চেয়ে আপনার আচরণ, সমস্যা সমাধানের ক্ষমতা এবং টিমওয়ার্ক বেশি দেখা হয়। সিভিতে এবং কথায় সফট স্কিলগুলো ফুটিয়ে তুলুন।
পর্ব ৪: সিভি ডিজাইনের কিছু গোল্ডেন রুলস
সঠিক CV তৈরি করার নিয়ম মানতে হলে ডিজাইনের দিকেও নজর দিতে হবে।
- ফন্ট: স্ট্যান্ডার্ড ফন্ট ব্যবহার করুন (Arial, Calibri, Roboto, Times New Roman)। ফন্ট সাইজ ১০-১২ পয়েন্ট এবং হেডিং ১৪-১৬ পয়েন্ট রাখুন।
- লেআউট: খুব বেশি রঙিন বা জটিল ডিজাইন পরিহার করুন। সাদা বা হালকা ব্যাকগ্রাউন্ডে কালো ফন্ট সবচেয়ে প্রফেশনাল।
- ফাইল ফরম্যাট: সিভি সবসময় PDF ফরম্যাটে সেভ করবেন। ওয়ার্ড ফাইলে পাঠালে অন্য কম্পিউটারে ফরম্যাট ভেঙে যেতে পারে। ফাইলের নাম দিন:
Name_Position_CV.pdf। - বানান ও গ্রামার: একটি ছোট বানান ভুল আপনার পুরো ইম্প্রেশন নষ্ট করে দিতে পারে। Grammarly দিয়ে চেক করে নিন।
আধুনিক সিভি টেমপ্লেট তৈরির জন্য আপনারা Canva ব্যবহার করতে পারেন। এখানে প্রচুর ফ্রি এবং এটিএস ফ্রেন্ডলি টেমপ্লেট পাওয়া যায়।
পর্ব ৫: ফ্রেশার বনাম অভিজ্ঞদের সিভি
অনেকে প্রশ্ন করেন, “আমার তো অভিজ্ঞতা নেই, সিভিতে কী লিখব?”
-
ফ্রেশারদের জন্য: আপনাদের সিভিতে শিক্ষার ওপর জোর দিতে হবে। এছাড়া একাডেমিক প্রজেক্ট, থিসিস, এক্সট্রা কারিকুলার অ্যাক্টিভিটিস (ডিবেট, ক্লাব, ভলান্টিয়ারিং) এবং সফট স্কিলগুলোকে হাইলাইট করুন। ক্যারিয়ার অবজেক্টিভ খুব শক্তিশালী হতে হবে।
-
অভিজ্ঞদের জন্য: আপনাদের সিভিতে শিক্ষা নিচে চলে যাবে। অভিজ্ঞতাই হবে প্রধান ফোকাস। প্রতিটি চাকরিতে আপনার কী কী অর্জন (Achievements) ছিল, তা সংখ্যার মাধ্যমে প্রকাশ করুন।
চাকরির বাজারের সাম্প্রতিক ট্রেন্ড বুঝতে আমাদের Career Guide এবং Job Circular বিভাগটি নিয়মিত ভিজিট করুন।
একটি পারফেক্ট সিভি এবং সঠিক কৌশল—এই দুয়ের সমন্বয় ঘটলে চাকরি পাওয়া সময়ের ব্যাপার মাত্র। মনে রাখবেন, CV তৈরি করার নিয়ম জানাটা শুধু একটি দক্ষতা নয়, এটি আপনার ক্যারিয়ারের প্রথম বিনিয়োগ। তাড়াহুড়ো না করে সময় নিয়ে নিজের সিভিটি সাজান। নিজেকে এমনভাবে উপস্থাপন করুন যেন নিয়োগকর্তা আপনাকে ইন্টারভিউতে ডাকতে বাধ্য হন।
হতাশ হবেন না। প্রত্যাখ্যান আসতেই পারে। প্রতিটি ‘না’ আপনাকে সঠিক ‘হ্যাঁ’-এর দিকে নিয়ে যায়। নিজের ওপর বিশ্বাস রাখুন এবং প্রস্তুতি চালিয়ে যান। আপনার সফল ক্যারিয়ারের যাত্রায় আলো ঘর সবসময় আপনার পাশে আছে।
লেখক: এস এ দিপু, ক্যারিয়ার মেন্টর: [আলো ঘর]-এর স্বপ্নদ্রষ্টা। একজন অভিজ্ঞ ওয়েব ডেভেলপার, এসইও (SEO) ও এআই (AI) বিশেষজ্ঞ হিসেবে তিনি গত ৯ বছর ধরে শিক্ষার্থীদের আধুনিক ক্যারিয়ার গড়ার বাস্তবসম্মত দিকনির্দেশনা দিয়ে আসছেন।
“আপনার সিভি কি আপ-টু-ডেট? নাকি এখনো পুরনো ফরম্যাট ব্যবহার করছেন? ক্যারিয়ার বিষয়ক যেকোনো প্রশ্ন বা পরামর্শের জন্য আমাদের কমেন্ট বক্সে জানান। আমরা আপনার উজ্জ্বল ভবিষ্যতের অপেক্ষায়।”



2 thoughts on “CV তৈরি করার নিয়ম ও চাকরি পাওয়ার সেরা ১০টি টিপস (A-Z গাইড ২০২৬)”